. .
সর্বশেষ বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে চর বিজয়সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ছয় জেলেসহ একটি ছোট মাছধরা ট্রলার ডুবে যায়। ট্রলারের মালিক মাসুদ মাঝিকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও অপর পাঁচ জেলের কোনো সন্ধান মেলেনি বলে জানিয়েছেন মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা।
এর আগে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে বঙ্গোপসাগরের প্রায় ১৭ কিলোমিটার গভীরে ১৮ জেলেকে নিয়ে ডুবে যায় ফকিরহাটের এফবি মহিমা নামের একটি মাছধরা ট্রলার। উদ্ধার অভিযানে ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও দুই জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
রোববার (৫ জুলাই) গলাচিপা উপজেলার খরিদা গ্রামের একটি মাছধরা ট্রলার বঙ্গোপসাগরের প্রায় ৬০ কিলোমিটার গভীরে ডুবে যায়। ট্রলারটিতে থাকা ১১ জেলের মধ্যে পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও ছয়জনের এখনো খোঁজ মেলেনি।
স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, কয়েক দিন ধরে উত্তাল সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে জেলেরা চরম ঝুঁকির মুখে পড়ছেন। প্রতিকূল আবহাওয়ায় অনেক ট্রলার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নিরাপদে তীরে ফিরতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে। এতে জেলে পরিবারগুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণেই এসব ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড কাজ করছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে মাছ ধরতে না যাওয়ার জন্য জেলেদের সতর্ক করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া এবং ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ অবস্থায় সাগরে থাকা মাছধরা ট্রলারগুলোকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন